ক্যারিয়ার গঠনে সততা পেশাগত নৈতিকতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ক্যারিয়ার গঠনে সততা

ক্যারিয়ার গঠনে সততা পেশাগত নৈতিকতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ।

সততার গুরুত্ব অপরিসীম সততা মানুষকে উন্নত আদর্শ নৈতিকতা ভূষিত করেন । নৈতিকতা সকল ধর্মের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে । সততার মাধ্যমে মানুষ পরিশুদ্ধ হয ও কর্ম ক্ষেত্রে নিজেকে ভালোভাবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব । ক্যারিয়ার গঠনের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ । শিক্ষা জীবন থেকে সততার গুণ অর্জন করতে না পারলে ক্যারিয়ারে বেশি দূর এগোনো সম্ভব নয় । সমাজের শান্তি নিরাপত্তা ও শৃংখলা উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং পেশাগত নৈতিকতা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । কেউ যদি তার সততা পেশাগত নৈতিকতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধার সাথে থাকেন তাহলে তিনি পেশায় নৈতিকভাবে পরিছন্নতা থাকবেন । 

প্রত্যেক পেশাজীবী মানুষ যদি সহ পেশায় 

তার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে । তবে কখনও পেশাগত নৈতিকতা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় না । শিক্ষার্থী যদি নিজের সততা ও দায়িত্বশীল  স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ভালোভাবে আয়ত্ব করতে পারে তবে তার ক্যারিয়ার গঠিত হবে ভালো । এবং পেশাগত জীবনের নীতিবান থাকতে সক্ষম হবে । কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয় সবাইকে আইন মেনে চলতে হয় । এবং আইনের আওতায় থাকতে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা সবার জন্য আবশ্যক । তেমনি কর্মজীবনের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিধি-বিধান মেনে চলতে হয় । শিক্ষাজীবন থেকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ক্যারিয়া
র গঠনে তা ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে ।

ইতিবাচক প্রতিযোগিতা ও সহযোগিতার মনোভাব 

নিজের সাথে নিজের প্রতিযোগিতায় ইতিবাচক প্রতিযোগিতা । যে প্রতিযোগিতায় অন্যকে পরাজিত করার চেয়ে সময়ও পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে নিজেকে আরো উন্নত প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে তোলা যায় তা ইতিবাচক । ইতিবাচক প্রতিযোগিতায় নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবার প্রতিবেশী সহপাঠী বন্ধু তথা সমাজের বিশ্বাস নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিবেচনায় রাখা হয় । যেমন পরীক্ষায় ভালো ফল লাভ করতে চাই এজন্য সে আত্মবিশ্বাস নিয়মতান্ত্রিকভাবে লেখাপড়া করবে । শুধু নিজে ভাল ফল লাভ করলে চলবে না সহপতটিরা ও যেন ভাল ফল অর্জন করতে পারে সেজন্য তাদের সহযোগিতা করতে হবে । 

তবে মনে রাখতে হবে যে সহযোগিতার ক্ষেত্রে 

সচলতা রক্ষা করতে হবে । ইতিবাচক প্রতিযোগিতার প্রতিফলন ঘটাতে হলে আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজের সফলতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অন্য কেউ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে । স্বাভাবিক মানসিকতা সহযোগিতার মনোভাব নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য প্রয়োজনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা কোন প্রতিবেশী অসুস্থতা যত্ন করা প্রয়োজনে তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া । কিংবা কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করা । বিদ্যালয় কর্মক্ষেত্র কিংবা সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন ।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post