ক্যারিয়ার গঠনের সময় ব্যবস্থাপনার ভূমিকা | প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা

ক্যারিয়ার গঠনের সময় ব্যবস্থাপনার ভূমিকা

ক্যারিয়ার গঠনের সময় ব্যবস্থাপনার ভূমিকা

সময় ব্যবস্থাপনা একজন শিক্ষার্থীর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ । এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর জীবনের গতিপথ পাল্টে যায় । সময় এর যথাযথ ব্যবহার তাকে ভবিষ্যৎ জীবনের দিক নির্দেশনা দেয় । সময়ের প্রতি যারা নিষ্ঠাবান তারা জীবনে অনেক দূর এগিয়ে যায় । ক্যারিয়ারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে লক্ষ্য স্থির করা এবং সেই লক্ষ কখনো বিচ্যুত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা । সময় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী তার ক্যারিয়ারে কোন কাজের পূর্বে কোনটিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে তা চিহ্নিত করতে পারে । ফলে সফলতার হার বেড়ে যায় । 

সময় ব্যবস্থাপনা আমাদের অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখে অনেক সময়ে সঠিক কাজ করার ফলে কাজের ক্ষেত্রে কখনো পিছিয়ে পড়তে হয় না । সময়ের সদ্ব্যবহার এর কারণে কাজ করার পর্যায়ে কোন ভুল হলে তা শোধরানোর সুযোগ থাকে । সময় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সময়ের সঠিক ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে সহজেই সফল ক্যারিয়ার গঠন করা যায় । মনে রাখতে হবে সময় ও নদীর স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না ।

প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা 


সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ নিজ হাতে সব কাজ করতো । ধীরে ধীরে মানুষ চিন্তা করতে লাগলো কিভাবে সহজে এবং দ্রুত কাজ করা যায় ।  ধীরে ধীরে এমন সব জিনিস এবং কাজের পদ্ধতি আবিষ্কার করতে লাগল যা তাদের কায়িক ও মানসিক শ্রম কে অনেকটাই কমিয়ে দিল । মানুষের কাজকে সহজ ও দ্রুত সম্পাদনার জন্য আবিষ্কৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কর্মপদ্ধতিকে প্রযুক্তি বলা হয় ।

কবে কোথায় কখন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন । মানুষ যখন তার কাজকে সহজ করার পদ্ধতি বা যন্ত্র আবিষ্কার করা শুরু করল তখন থেকে প্রযুক্তির যুগ সুরু । আদিম যুগে শিকারের জন্য বল্লম তৈরি করা হয় এবং শুকনো কাঠ দিয়ে আগুন আবিষ্কার করাকে প্রযুক্তির উদ্ভবের প্রাথমিক অবস্থা বলে স্বীকার করা হয় । এককথায় প্রযুক্তি হলো কিছু প্রয়োগ কৌশল যা মানুষ তার পরিবেশের উন্নয়ন কাজে ব্যবহার করে ।

অনেক কাজ আছে যা সাধারণভাবে করতে প্রচুর সময় এর প্রয়োজন হয় । প্রযুক্তির সাহায্যে যেকোনো কাজ খুব সহজে করা যায় যেমন আগে ধান মাড়াই করতে অনেক সময় এর প্রয়োজন হতো কিন্তু প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে । এখন প্রযুক্তির সহায়তায় প্রায় নির্ভুল কাজ করা সম্ভব । কম্পিউটারের সাহায্যে হাজার হাজার তথ্য থেকে গবেষণা করে নির্ভুল প্রতিবেদন তৈরি করা সম্ভব । 

তথ্য থেকে তথ্য থেকে গবেষণা করে নির্ভুল প্রতিবেদন তৈরি করা সম্ভব । প্রযুক্তির সাহায্যে তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো কাজের ফলাফল জানা যায় । যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল এখন পরীক্ষার দিনে প্রকাশিত হচ্ছে একটি প্রযুক্তি ব্যবহারের একটি দৃষ্টান্ত ।

প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা অর্জন 


প্রযুক্তি কি প্রযুক্তির ব্যবহার কিভাবে করতে হয়, কোথায় প্রযুক্তি ব্যবহার করা সম্ভব কোন যন্ত্রের কি কাজ যন্ত্র গুলো কিভাবে কাজ করে এসব বিষয়ে বিস্তারিত ধারনা থাকতে হবে । বর্তমানে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে অনেকের মধ্যে ভীতি কাজ করে । প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় কাটিয়ে ওঠে আগ্রহ নিয়ে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে । আত্মবিশ্বাসে প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু না করলে প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা অর্জন সম্ভব নয় । যেকোনো বিষয়ে প্রশিক্ষণ মানুষকে করে তোলে দক্ষ তাই দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন প্রযুক্তির ব্যবহার যথাযথ প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post