কুমড়া চাষ পদ্ধতি । মাদা তৈরি ও সার প্রয়োগ পরিচর্যা পোকা ও রোগ দমন

কুমড়া চাষ পদ্ধতি

কুমড়া চাষ পদ্ধতি ।

কুমড়া একটি জনপ্রিয় সবজি জাতীয় খাবার।কুমড়ার গ্রীষ্মকালীন কিছু শীতকালীন যাত আছে যা বাংলাদেশের জন্য খুবই চাষযোগ্য । আবার কিছু জাত আছে সারা বছরই সংরক্ষণ করা যায় সবজির চাহিদা পূরণ করা যায় । কুমড়া জাতীয় সবজির মধ্যে মিষ্টি কুমড়া চাল কুমড়া লাউ প্রদান । আমরা এখন মিষ্টি কুমড়া সম্পর্কে জানব ।

ভূমিকা 


মিষ্টি কুমড়ায় অধিক পরিমাণ ভিটামিন রয়েছে । মিষ্টি কুমড়ায় এর ফল কাঁচা ও পাকা যে কোন অবস্থায় খাওয়া যায় । তবে এটি খাওয়া হয় বেশি  পাকা অবস্থায় । মিষ্টি কুমড়ার পাতা ও কচি ডগা  খাওয়া যায় । মিষ্টি কুমড়া সচারাচার বৈশাখী বর্ষাতি ও মাঘী এই তিন শ্রেণীতে বিভক্ত । চাষের সময় বৈশাখী কুমড়া বীজ মাঘ মাস, বর্ষাতি কুমড়ার বীজ বৈশাখ , এবং মাঘী মিষ্টি  কুমড়ার বীজ সাধারনত  শ্রাবণ মাসে বপন করা হয় ।

মাদা তৈরি ও সার প্রয়োগ 

মাদার জন্য সাধারণত 3 / 4 মিটার দূরত্বে 80 থেকে 100 ঘন সেন্টিমিটার আকার গর্ত তৈরি করতে হবে । প্রতি কেজি ইউরিয়া 130 গ্রাম টিএসপি 200 গ্রাম এমওপি 150 গ্রাম দিতে হবে । 8 থেকে 10 দিন আগে গর্তের মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে । এবং 30 দিন পর দ্বিতীয়বার সার প্রয়োগ  করতে হবে । মাদার চারপাশের সাথে সার মিশিয়ে দিতে হবে । বীজ বপন 10 থেকে 12 দিন পর প্রায় দুই থেকে তিনটি মাঝখানে রোপণ করতে হবে ।

পরিচর্যা 

আগাছা থাকলে তা পরিষ্কার করে চারা গাছের গোড়ায় কিছুটা মাটি তুলে দিতে হবে । মাঝে মাঝে নিড়ানি দিয়ে গাছের গোড়ার মাটি আলগা করে দিতে হবে । ঘোড়ার কাছাকাছি কিছু 15 থেকে 20 দিন পর দিতে হবে ।গাছের লতাপাতা বেশি হলে কিছু লতাপাতা সেটে দিতে হবে ।

পোকা ও রোগ দমন

গাছের বিভিন্ন প্রকার পোকার মধ্যে লাল পোকা কাটালে পোকা  উল্লেখযোগ্য । পোকা ও রোগ দমনের জন্য ডায়াজিনন প্রয়োগ করতে হবে । খুশি থেকে শুরু করে পরিপূর্ণ পাকা অবস্থায় কুমড়া খাওয়া যায় ।  পাকা অবস্থা থেকে ফসল সংগ্রহ করা শুরু হয় পাকা অবস্তাই সংগ্রহ করলে অনেক দিন ধরে রাখা যায় । শতকরা ১০ থেকে ১০০ কেজি হতে পারে ফল হতে পারে ।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post