উন্নত জীবন যাপনের জন্য খাদ্য উপাদান বাচাই | সব মানুষের খাদ্যাভাস একরকম নয়

উন্নত জীবন যাপনের জন্য খাদ্য উপাদান বাচাই

উন্নত জীবন যাপনের জন্য খাদ্য উপাদান বাচাই 

সব মানুষের খাদ্যাভাস একরকম নয় । প্রাকৃতিক কারণে খাদ্যদ্রব্যের প্রাপ্যতা সব দেশে একরকম নয় । গ্রীষ্ম ও শীতের প্রকোপ অনুসারে খাদ্যের প্রয়োজন এবং পার্থক্য রয়েছে । সকল পরিবেশে মানিয়ে চলা জীবনের লক্ষ্য এজন্য দেহের গঠন ও বৃদ্ধিতে এবং শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া গুলো সম্পন্ন করতে মূল খাদ্য উপাদান গুলোর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে । খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে মূল উপাদান গুলোর পরিমান ক্যালরি ভ্যালু বিচার করে উন্নত জীবনযাপনের জন্য খাদ্য উপাদান বাচাই  করতে হয় ।

আমরা খাদ্য পিরামিডের কোন জাতীয় খাদ্য উৎপাদন কতটুকু খেতে হয় সেটা জেনেছি । এখন আমরা বলব এই খাদ্য উপাদান ব্যবহার করে কি কি খাদ্য তৈরি করা যায় । যেমন খাদ্য পিরামিড দেখানো সরাসরি খাওয়া হয় না যে খাবার তখন সেটি ব্যবহার করে অন্য খাবার প্রস্তুত করা হয় ।

পুষ্টি বিশারদগণ এই খাবারকে চারটি শ্রেণীতে ভাগ করেছেন ।


  • মাছ মাংস ডিম ডাল মটর ছোলা কিংবা বাদাম ।
  • পনির ও দই ।
  • সকল ভদ্র ফল এবং খাওয়ার উপযোগী সবজি ।
  • শস্য ও শস্যদানা থেকে তৈরি খাবার যেমন রুটি ভাত।
সুষম খাদ্য পেতে হলে প্রতিদিন 4 শ্রেণির খাদ্য খেতে হবে । এইচআর শ্রেণী থেকে খাদ্য নির্বাচনে বৈচিত্র থাকা উচিত বলে পুষ্টি বিশারদগণ মনে করেন ।

সকালের খাবার

সকালের খাবারে আমাদের দেশে অত্যন্ত হালকা ধরনের হয়ে থাকে । আজকাল গ্রাম বা শহরে প্রায় সর্বত্র বয়স্ক সকালের দিকে চা পান করতে দেখা যায় । চায়ের সাথে অত্যন্ত হালকা কিছু খাবার গ্রহণ করা উচিত । সকাল বেলায় খাবার হিসেবে রুটি ডিম একটি কলা খেতে পারলে দেহের জন্য ভালো ।গরমের দিনে আখের গুড়ের সাথে ভিজিয়ে খেলে শরীর সুস্থ থাকে ।

দুপুরের খাবার 

আমাদের দেশে দুপুরের খাবার কে সাধারণত প্রধান খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয় । দুপুরে খাবারের খাদ্য উপাদান বাসায় অবশ্যই সুষম তালিকা থাকতে হবে । গরমের দেশে মাছ প্রোটিন এর উৎকৃষ্ট উৎস তবে শীতকালে মাছের সাথে মাংস খাবারের মাঝে বৈচিত্র এনে দেবে । খাবার হিসেবে অথবা ফল খাদ্যতালিকায় থাকলে ভালো হয় ।

আমাদের দেশে স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ও চাকরিজীবীদের অনেকের দুপুরের খাবার সময় ঠিক থাকে না । তাই তারা বিকেলে কিছু হালকা খাবার খেয়ে থাকেন । আর্থিক অবস্থা অনুযায়ী বিকেলের জন্য এমন খাদ্যের ব্যবস্থা করা উচিত যেন সকল ধরনের খাদ্য উপাদান থাকে । 

রাতের খাবার

রাতের খাবার সব সময় সাধারণত সহজপাচ্য হওয়া উচিত । আমিষ জাতীয় খাবার কম খাওয়া ভালো । ছাত্র ছাত্রীদের প্রতিদিন রাতে শোয়ার আগে আর্থিক সামর্থ্য বা শক্তি উৎপাদন তরল খাদ্য গ্রহণ করা উচিত । এভাবে খাদ্য উন্নত জীবনযাপন করা যেতে পারে ।
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post