চাকরীর খোঁজে । সহজে চাকরী পাবার উপায় ও কেস স্টাডি

চাকরীর খোঁজে ।

চাকরীর খোঁজে । 

শিক্ষা জীবনের এক একটি স্তর শেষ করে আমরা একেক জন একেক দিকে চলে যায় । অনেকেই উচ্চ শিক্ষা সম্পন্ন করে ভালো চাকরির স্বপ্ন দেখে । মনের মতো কাজ পেতে প্রয়োজন এ বিষয়ে একাগ্রতা । ভালো কাজ পেতে হলে সর্বদা চোখ-কান খোলা রাখা চাই । চাকরি পাওয়ার বিজ্ঞপ্তির প্রধান মাধ্যম গুলো নিচে দেওয়া হল ।

  • জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপন । 
  • চাকরির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞাপন এবং ।
  • ব্যক্তিগত খোঁজ।

জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপন । 

দৈনিক পত্রিকাগুলোর ভেতরের পাতা গুলির মধ্যে চাকরির বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়ে থাকে । সেখানে কিভাবে আবেদন করতে হবে কোন ঠিকানা আবেদন পাঠাতে হবে তা বিস্তারিত দেওয়া থাকে । আজকাল অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের ঠিকানায় চিঠি না পাঠিয়ে ইমেইল পাঠাতে বলে ।

চাকরির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞাপন এবং ।

অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে আবেদন করতে বলে । তবে সরকারি অনেক প্রতিষ্টান আবেদন ফরম কিনে আবেদন করতে বলে । সে ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়ম কারণ বিজ্ঞাপনে বলা থাকে । জাতীয় দৈনিক পত্রিকার পাশাপাশি চাকরির জন্য আলাদা পত্রিকা রয়েছে এগুলো খুঁজলে অনেক চাকরির সন্ধান পাওয়া যায় ।

প্রযুক্তিনির্ভর এক বিংশ শতাব্দীর চাকরির খোঁজে মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেট । চাকরির বিজ্ঞাপন সমৃদ্ধ আলাদা ওয়েবসাইটে দেওয়া বেশ কয়েকটি প্রথম সারির ওয়েবসাইটগুলোর চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেয়া থাকে । কি যোগ্যতা প্রয়োজন আবেদনের শেষ তারিখ কবে চাকরি পাওয়ার পর কি সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হবে তা বিস্তারিত বলা থাকে । তাহলে অনলাইনে পছন্দমত চাকরির জন্য আবেদন করা যায় ।

ব্যক্তিগত খোঁজ।

শুধু বিজ্ঞাপন দেখেই নয় বরং পরিচিত অনেকের কাছ থেকে অনেক চাকরির সন্ধান পাওয়া যায় । সব পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি জানা সম্ভব নয় । সেজন্য সকলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরী যাতে তারা সবসময় চাকরির বিষয়ে তাদেরকে অবহিত করে । এজন্য সকলের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা ।

কেস স্টাডি  ।

ক - খুলনা মেডিকেলে অনেকদিন ধরে পরা লেখা শেষ করে চাকরি খুজচেন কিন্তু পাননি । কিন্তু অবশেষে তিনি সিদ্ধান্ত নেন নিজেই কিছু করবেন । বাসা থেকে কিছু টাকা নিয়ে তার কলেজের পাশে তিনি ফটোকপি কম্পিউটার কম্পোজ প্রিন্ট মোবাইলে রিচার্জ করার জন্য একটি দোকান দেন । প্রথমে অল্প দামে একটি ফটোকপি মেশিন কিনলেও আস্তে আস্তে ব্যবসা লাভ বাড়তে থাকলে তিনি একদম নতুন মেশিন নেন ।

 অত্যন্ত সদালাপী এবং সৎ হওয়া সোহেলকে সবাই পছন্দ করে । তার দোকানে নির্দ্বিধায় সবাই কাজ করতে আসে পরিচিত ও নিয়মিত গ্রাহকদের সোহেল আহমেদ এর মাঝে মাঝে মূল্য ছাড় দেন । এভাবে তার ব্যবহার দিন দিন বাড়তে থাকে এখন খুলনা শহরের তিনটি দোকান এর মালিক। এর মধ্যে তিনি প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে সক্ষম হয়েছেন । মোট 6 জন কর্মচারী তার দোকান গুলোতে কাজ করে । তিনি তার ছোট ভাইদের ব্যবসা আসার পরামর্শ দেন।

উপরে গল্পে আমরা দেখেছি সোহেল আমি কিভাবে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আছেন । শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে তিনি নিজেই নিজের প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়েছেন । শুধু তাই নয় তার দোকানে অন্যান্য সুযোগ পেয়েছে এভাবে আমাদের নিজেদের কাজের ক্ষেত্র তৈরি করতে পারি । তাহলে আমাদের দেশের অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকবে ।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post