বিনোদন ও আইসিটি যন্ত্র | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ এর সাথে বিনোদনের জগৎ


বিনোদন ও আইসিটি যন্ত্র

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ এর সাথে বিনোদনের জগৎ এর একটা নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে । এটি ঘটেছে দুইভাবে কিভাবে মানুষ গ্রহণ করবে সেই প্রক্রিয়া টি মৌলিক পরিবর্তন হয়েছে । এবং ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমগুলোতে একটা গুণগত পরিবর্তন হয়েছে ।

দেখা যাক বিনোদন গ্রহণের প্রক্রিয়া পরিবর্তনটি কিভাবে ঘটেছে । একটা সময় ছিল যখন বিনোদনের জন্য মানুষকে ঘরের বাইরে যেতে হতো। সিনেমা দেখতে হলে সিনেমা হলে যেতে হতো, খেলা দেখতে হলে খেলার মাঠে যেতে হতো, গান শুনতে হলে গানের জলসায় যেতে হতো ।

 এখন এ ধরনের বিনোদনের জন্য মানুষের আর ঘর থেকে বের হতে হয় না । প্রথমে রেডিও-টেলিভিশন এসেছে, এরপর এসেছে কম্পিউটার , একসময় কম্পিউটারে সংযুক্ত হয়েছে ইন্টারনেট । আমরা আবিষ্কার করেছে একজন মানুষ চার দেয়ালের ভেতরে থেকেই পৃথিবীর প্রায় সব ধরনের বিনোদন উপভোগ করতে পারে । প্রথম যখন কম্পিউটার আবিষ্কার হয়েছিল তখন তার মূল্য বা হিসাব করা হতো । শুধু বড় বড় প্রতিষ্ঠান বা সরকার একটা কম্পিউটার মালিক হতে পারত ।

প্রযুক্তির উন্নতির পাশাপাশি কম্পিউটার এর মূল্য সহজলভ্য হয়ে এসেছে ।


 এবং একসময় মানুষ তার নিজের ব্যক্তিগত কাজের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করতে শুরু করেছে । কম্পিউটার যখন শক্তিশালী হয়েছে তা হিসাব নিকাশের জন্য ব্যবহৃত হতে শুরু করেছে ।

এখন সাধারণ মানুষ কম্পিউটারকে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী বিনোদনের জন্য  । গান চলচ্চিত্র আলোকচিত্র সবকিছু এখন কম্পিউটারাইজড । তথ্য প্রযুক্তির কারণে বিনোদনের গ্রহণের প্রক্রিয়া যে রকম পরিবর্তন এসেছে ঠিক সে রকম পরিবর্তন এসেছে বিনোদনের বিষয়গুলোতে । 

এখন আমরা কম্পিউটারে গান শুনতে পারি ঠিক একইভাবে আমরা ভিডিও বা চলচ্চিত্র দেখতে পারি । cd-rom কিংবা ভিডিও বের হওয়ার পর সেখানে বিশাল পরিমাণ এর তথ্য রাখা সম্ভব হয়েছে । সিনেমা হলে না গিয়ে ঘরে বসে কম্পিউটার কিংবা টেলিভিশনে ডিভিডি থেকে চলচ্চিত্রের এখন খুবই সাধারণ একটি বিষয় ।

ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক বসানোর পর 


দ্রুতগতির ইন্টারনেট সহজলভ্য হতে শুরু করেছে । কাজেই এখন একজনকে আর গান শোনার জন্য কি টিভি দেখার জন্য অডিও সিডি বা ডিভিডি উপর নির্ভর করতে হয় না । ইন্টারনেট ব্যবহার করে লাইভ সিক্ষামুলক সহ সকল প্রকার বিনদন উপভোগ করা যায় । 

শুধু তাই নয় রেডিও- টেলিভিশন চ্যানেলগুলো এখন ইন্টারনেট ব্যবহার ব্যবহার করে শোনা দেখা যায় । এবং সেগুলো অনেক সময়ে রেকর্ড করে থাকে বলে কাউকে আর কোনকিছু দেখার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না যখন ইচ্ছা করে তখনই দেখতে পাই ।
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post