পারিবারিক কৃষি খামারের ধারণা ও গুরুত্ব | পারিবারিক খামার

পারিবারিক খামার

পারিবারিক কৃষি খামারের ধারণা ও গুরুত্ব

বাংলাদেশের কৃষক পরিবার কৃষি খামার এর মাধ্যমে শস্য ও শাকসবজি গবাদিপশু হাঁস-মুরগী উৎপাদন করে থাকে । আকার অনুযায়ী খামার বাণিজ্যিকভাবে পারিবারিক হয়ে থাকে । বাণিজ্যিক কৃষি খামার মালিক হতে হলে বাণিজ্যিক খামারের জন্য বেশ পরিমাণ মূলধন প্রয়োজন হয় । কিন্তু পারিবারিক খামার এর জন্য বেশি মূলধন প্রয়োজন হয় না । কৃষক পারিবারিক খামারের মাধ্যমে পরিবারের ভরণ-পোষণ মিটিয়ে কখনো কখনো কিছু অতিরিক্ত আয় করে থাকে । বর্তমানে কৃষি খামার থেকে আয় করার চিন্তা মাথায় রেখে খামার স্থাপনের পরিকল্পনা করেছেন । পরিবারের সদস্যরা পারিবারিক খামার পরিচালিত করে থাকে ।

পারিবারিক কৃষি খামারের গুরুত্ব 

  • পরিবারের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা মেটায় 
  • অতিথি আপ্যায়নে ভূমিকা রাখে 
  • পরিবারের সদস্যদের কর্মক্ষেত্র তৈরি করে 
  • পরিবারের সদস্যদের অবসর সময়ের সদ্ব্যবহার হয় 
  • পরিবারের বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয় 
  • গবাদিপশু হাঁস-মুরগী পালন এর মাধ্যমে কৃষি জমির উর্বরতা বাড়ানো যায় 
  • গবাদিপশু হাঁস-মুরগী পালন এর মাধ্যমে আগাছা ফসলের বজ্র উপজাত সময়ের সঠিক ব্যবহার করা যায় 
  • গবাদিপশু হাঁস-মুরগী মলমূত্র ব্যবহার করে বায়ো গ্যাস উৎপন্ন করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়
  • পরিকল্পিত পারিবারিক খামারে জাতীয় আয় বৃদ্ধির সাহায্য করে কৃষকের জীবন মান উন্নত করে

পারিবারিক শাকসবজি ও পোল্ট্রি খামার পরিবারের সদস্যদের পুষ্টি চাহিদা মেটানোর জন্য ও পারিবারিক আয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে । আমার বাড়ির আশেপাশে খালি জায়গা বা উচু নিচু জমিতে পারিবারিক খামার করা যায় । অভিজ্ঞ কৃষকের পরামর্শ নিয়ে ঋতুভিত্তিক সারা বছরের পরিকল্পনা করন করে সারা বছরে খামার থেকে ফসল পাওয়া যেতে পারে । 

যা তার পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি কিছু আয় করতে পারে । পারিবারিক নিবিড় পরিচর্যা আগাম ফসল উৎপাদন করতে পারলে অবশ্য বাজার মূল্যে পাওয়া যেতে পারে । এখন সারা বছরই কোনো না কোনো শাকসবজির উৎপাদন হয়ে থাকে । যা সবার চাহিদা মেটাতে পারে রাসায়নিক সার ও বালাইনাশক সার ব্যবহার না করে ফসল উৎপাদন করা যায় এতে শাকসবজি নিরাপদ ও সুস্বাদু হয় । পড়ুন কুমড়া চাষ পদ্ধতি
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post